সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এমপি জাফর আলমকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখার জন্য আদেশে বলা হয়েছে।’
রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আদর্শ অনুযায়ী আমরা পুলিশ-বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নিয়ে জাফর আলমকে অবরুদ্ধ করে রাখতে তার বাড়ির দিকে যাচ্ছি।’
কমিশনের নির্দেশনায় আছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রকাশ্যে একজন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যা উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬ এর ২২ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী নিজেও বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে অভিযোগ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধানে বলা আছে- সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নির্বাচনি প্রচারণা এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত বাধা নিষেধ (১) সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং কোন সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণায় বা নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
(২) নির্বাচনপূর্ব সময়ে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনও ব্যক্তি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচারযন্ত্র, সরকারি যানবাহন, অন্য কোনও সরকারি সুবিধা ভোগ এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ব্যবহার করতে পারবেন না।
নির্বাচন কমিশনের জারিকৃত দ্বিতীয় ধাপের তফসিল অনুযায়ী ১৮ মার্চ চকরিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।