আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় নোয়াখালীর চার নম্বর আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহ’র আদালতে রিপন আত্মসমর্পণ করে। পরে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে দুজন।
উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ সুবর্ণচর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে ধর্ষণের শিকার ও তার স্বামী চশমা প্রতীকের প্রার্থী তাজ উদ্দিন বাবরের সমর্থনে ভোট করেন। সন্ধ্যায় তিনি ও তার স্বামী মোটরসাইকেলে চরবাগ্যা গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পথে তালা প্রতীকের প্রার্থী নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন বাহারের সমর্থক ইউসুফ মাঝির নেতৃত্বে ১০-১২ জন উত্তর বাগ্যা গ্রামের রুহুল আমিনের মৎস্য খামারের কাছে তাদের মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মারধর করে। এ সময় বেচু মাঝি, বজলু ও আবুল বাশার ওই নারীকে মৎস্য খামারের পাশের কলাবাগানে নিয়ে মারধরের পর ধর্ষণ করে। পরে তার স্বামীর চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার এবং রাতেই হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
ঘটনার পরের দিন নির্যাতিতার স্বামী আটজনের নাম উল্লেখসহ মোট ১২ জনকে আসামি করে চরজব্বর থানায় মামলা দায়ের করেন।