ডিআইজি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেছেন, ‘প্রাথমিকভাবে ওসি মোয়াজ্জেমের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিলেছে। ওসিসহ পুলিশের অন্য কর্মকর্তাদের গাফিলতির বিষয়ে তদন্ত চলছে। গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নুসরাতের কাছ থেকে যৌন হয়রানির অভিযোগ আমলে নিলে তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা এড়ানো যেতো।’
এই কমিটির সদস্যরা সোমবার থেকে বুধবার (২২-২৪ এপ্রিল) পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় তিন দিন তারা প্রসাশনের গাফিলতি বিষয় তদন্ত করেন। তদন্ত কমিটি জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই-বাছাই করছেন।
তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, নুসরাতের ঘটনায় যদি পুলিশের কোনও সদস্যের দায়িত্বে অবহেলা বা অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাদের অপরাধ ফৌজদারি সমতুল্য হলে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, নুসরাত হত্যা মামলাটি তদন্তের জন্য ১০ এপ্রিল পিবিআই’তে হস্তান্তর করা হয়। পিবিআই ২৩ আসামি গ্রেফতার করে। এর মধ্যে ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ৭ জন রিমান্ডে রয়েছে।