ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আঘাত হানতে পারে ধরে নিয়ে চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এসব আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৮ লাখ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।
জেলা প্রশাসন জানায়, ফণীর আঘাত হানার আশঙ্কায় চট্টগ্রামের কুমিরা ঘাট থেকে সন্দ্বীপ ও হাতিয়ায় নৌ চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেলোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ফণীর আঘাত হানার শঙ্কায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। সকাল থেকেই উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এসব আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসনের একাধিক টিম।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ১৬ হাজার ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবে। এর মধ্যে রেড ক্রিসেন্টের ১০ হাজার এবং সিপিপির ৬ হাজার ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবে।’
দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘২৮৪টি মেডিক্যাল টিম, ৫০ হাজার পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং একহাজার ৪০০ পিস হাইজিন কিডসসহ পর্যাপ্ত ওষুধ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আরও একলাখ পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সংগ্রহ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রাণিসম্পদ রক্ষায় ঔষুধ ও খাবার মজুদ ও সংরক্ষণসহ প্রয়োজনে পশুপাখি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র ও বিদ্যালয়গুলোতে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির সংস্থান এবং শৌচাগারগুলো ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগসহ অন্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করে সেবাদান অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’