ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, আনোয়ারাসহ নগরীর পতেঙ্গা এলাকার কিছু কিছু জায়গা প্লাবিত হয়েছে। তবে এসব এলাকা থেকে বসবাসকারীদের আগেই সরিয়ে নেওয়ায় তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এ ব্যাপারে সন্দ্বীপ উপজেলার সারিকাইত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম পনির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ফণীর প্রভাবে প্রবল জোয়ারের ধাক্কায় সারিকাইত ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের সায়েদ সমিল এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে এলাকায় জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে। এতে ওই এলাকার বেশ কিছু ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়। তবে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
একইভাবে নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোড এলাকা, আনোয়ারার গহিরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকেছে। এতে ওইসব এলাকার ঘর-বাড়ি, চিংড়িঘের ও ফসলের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুপুরে ফণীর প্রভাবে প্রবল জোয়ারে এ ঘটনা ঘটে।
ইপিজেড থানার আকমল আলী রোড এলাকায় পানি ঢুকে যাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন।
তবে বিষয়টি জানা নেই জেলা প্রশাসনের। বেলা ৩টার দিকে জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমে খোঁজ নিলে তারা কোথাও কোনও এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর নেই বলে জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এপর্যন্ত বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর আমরা পাইনি। তবে বাতাসের সঙ্গে প্রবল ঝড়ে মীরসরাই উপজেলায় তিনটি কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি।’