আসামিরা হলেন, নবী হোসেন (৬০), আহমদ কবির (৪২) ও মো. মুছা (৪০)।
এর আগে শনিবার (১১ মে) রাতে বাকলিয়ার বজ্রঘোনা এলাকার মদিনা মসজিদ এলাকায় গুলিতে নিহত হন বুবলি আক্তার। শাহ আলম নামে এক যুবক তাকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ওই রাতে পুলিশের অভিযানে শাহ আলম নিহত হন।
কাজী শাহাব উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ করে রিমান্ড আবেদন করে বাকলিয়া থানা পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
বুবলি আক্তারের ভাই রুবেলের সঙ্গে স্থানীয় শাহ আলমসহ কয়েকজন যুবকের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা ছিল। গত ১১ এপ্রিল রাতে শাহ আলম ও তার লোকজন রুবেলকে মারতে তার বাড়িতে যায়। এসময় তাদের সঙ্গে রুবেলের বোন বুবলি আক্তারের বাদানুবাদ হয়। এক পর্যায়ে শাহ আলম বুবলিকে গুলি করে। পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ওই রাতে বুবলির বাবা নোয়া মিয়া শাহ আলমকে প্রধান আসামি করে ছয় জনের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন- শাহ আলমের ভাই নূর আলম (২৫) এবং নবী হোসেন (৬০), আহমদ কবির (৪২), মো. জাবেদ (২৪) ও মো. মুছা (৪০)।