ফেনীতে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে শুক্রবার (২৮ জুন) রাতে পরশুরাম মডেল থানায় মামলা হয়েছে। ভিকটিমকে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত সিএনজি অটোরিশা চালক মো. রাসেলসহ তার সহযোগীরা ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। পরশুরাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শওকত হোসেন এ কথা জানান।
পরশুরাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শওকত হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ভিকটিম রবিবার (৩০ জুন) আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিবেন।’
তিনি বলেন,‘তরুণীর বাড়ি জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার দক্ষিণ সতের গ্রামে। ওই তরুণী পূর্ব সাহেব নগর গ্রামে বোনের বাড়িতে আসা-যাওয়ার সময় অভিযুক্ত সিএনজি অটোরিকশা চালক রাসেলের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে রাসেল তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রেজাউল হক বলেন, ‘বুধবার(২৬ জুন) সন্ধ্যায় ওই সিএনজি অটোরিকশা চালক কৌশলে তরুণীকে পূর্বসাহেবনগর গ্রাম (বোনের বাড়ি) থেকে পাশের গ্রামের কামাল ডাক্তারের বাড়ির ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে অটোরিকশা চালক রাসেল ও তার সহযোগীরা তরুণীকে রাতভর ধর্ষণ করে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ভোরে গ্রামের লোকজন ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় ওই তরুণী চিৎকার শুনে এগিয়ে গেলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন,‘প্রধান আসামি সিএনজি অটোরিকশা চালক মো. রাসেল ওই উপজেলার মনিপুর গ্রামের বাহার মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকে সে ও তার সহযোগী পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।