ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘হ্রদ দখল করে হোটেল নির্মাণ করার দায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান। হ্রদ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে জেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর।’
মার্চের ৪ তারিখ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষ কেতু চাকমা শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকায় কাপ্তাই হ্রদ তীরবর্তী এলাকায় পর্যটন মোটেল নির্মাণের জন্য ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন।
জেলা পরিষদের তথ্যমতে পর্যটন মোটেল নির্মাণের জন্য ৩ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। আগামী ২০২১ সালে কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার কথা হয়েছে।
রাঙামাটি সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখা আসছি কাপ্তাই হ্রদের পানি যখন শুকিয়ে যায় বা কমে যায় তখন লেক তীরবর্তী এলাকা দখলের প্রতিযোগিতা শুরু হয়।’
রাঙামাটি জেলা পরিষদের প্রকৌশলী ক্য হ্লা কৈ কে ফোন ও এসএমএস পাঠিয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি এবং এসএমএসের কোনও উত্তরও দেননি।