আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকজনভারী বর্ষণের কারণে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে বান্দরবানে নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ কারণে পাহাড় ধসের ঝুঁকিও রয়েছে। ফলে প্লাবিত অঞ্চল ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের প্রায় ২০০ পরিবার ৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া জেলার ১২৬ আশ্রয়কেন্দ্রে কমবেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
রুমা, থানচি ও আলীকদম উপজেলার অভ্যন্তরীণ নৌ রুটসমূহে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা দুর্গম ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে থানচিতে ৩০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।
আশ্রয়কেন্দ্রভারী বর্ষণের ফলে সাঙ্গু নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে মঙ্গলবার সকাল থেকে সড়ক ডুবে যাওয়ায় সারাদেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে কিছু কিছু যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডুবে যাওয়া সড়কে চলাচল করছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লামা উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। ফলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এছাড়া সোমবার পাহাড় ধসের কারণে বান্দরবান থেকে রুমা ও থানচির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
বৃষ্টির কারণে বেড়েছে নদীর পানিএ ব্যাপারে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম জানান, প্লাবিত এলাকার পরিবারগুলোকে পার্শ্ববর্তী প্রাইমারি স্কুলে আশ্রয় নিতে এবং নদীর তীরবর্তী ও পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাসরত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকজনের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ বন্ধ