ভারী বর্ষণের কারণে বান্দরবানের সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে শহরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ভোর রাত থেকে শহরের আর্মিপাড়া, শেরেবাংলা নগর, হাফেজঘোনা, ইসলামপুর, লাঙ্গিপাড়া, ওয়াপদা ব্রিজ, মিসকি সেতু ও বাসস্টেশনসহ নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শহরের আর্মিপাড়ার বাড়িগুলো কোমর পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া ইসলামপুর ও শেরে বাংলা নগরের বাড়িগুলোর চালের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে লামা উপজেলার লাইন ঝিড়ি ও লামা বাজারসহ বিভিন্ন নিম্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম বলেন, ‘পাহাড় ধসের সম্ভাবনাময় স্থান ও প্লাবিত স্থানের লোকজনের জন্য জেলায় ১২৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে সদরে রয়েছে ১০টি। তাদের নিয়মিত ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে।
গত শনিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষণের কারণে প্রতিনিয়ত পাহাড় ধসের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে গত সোমবার পাহাড় ধসে সড়কের ওপর পড়ায় বান্দরবান থেকে রুমা ও থানচির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিল। বুধবার (১০ জুলাই) বিকাল থেকে মাটি সরিয়ে সড়কটি যান চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। এছাড়া মঙ্গলবার সকাল থেকে সড়ক ডুবে যাওয়ার কারণে সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
এদিকে থানচিতে আটকা পড়া ২৫ জন পর্যটক বান্দরবানে ফিরে এসেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।