পৃথিবীর যেকোনও মানবিক সংকটে স্থাপিত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যক্রমের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় বলে দাবি করেছে আইওএম ও জাইকা। এটি সম্পন্ন হলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ বিশুদ্ধ পানি পাবেন বলেও দাবি সংস্থা দুটির।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘এই প্রকল্প সংস্থা দুটির সম্মিলিত কাজের সুফল। এর মাধ্যমে ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মিটবে।’
জাপান দূতাবাসের মিনিস্টার তাকেসি-ইতো বলেন, “বাংলাদেশ সাত লাখেরও বেশি শরণার্থী গ্রহণ করেছে এবং আমরা এখন লাখ লাখ লোকের পানির চাহিদা মেটাবো। এর মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ছয় নম্বর শর্ত ‘সবার জন্য বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ’ নিশ্চিত হবে।”
আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান জর্জ গিগৌরি বলেন, ‘এই পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কটির সঙ্গে পরিচয় করাতে রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে শরণার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য কাজ করছে আইওএম। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে এখানকার অধিবাসীরা এই প্রযুক্তির সঙ্গে খাপখাওয়াতে পারে সেজন্য কাজ করবে সংস্থাটি।’
জানা গেছে, এই সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের মাধ্যমে দৈনিক পাঁচ লাখ ৮০ হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি উত্তোলন করা হবে। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১২ ও ১৯ নম্বর ক্যাম্পের ৮৭ পানি সরবরাহ পয়েন্টে ৩৫৮টি পানির ট্যাপে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী পানি সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি এই পানির নেটওয়ার্কের শুদ্ধতা রক্ষার জন্য রয়েছে একটি পরিশোধক প্লান্ট।