নাঙ্গলকোট থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তাহেরা নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউপির নোয়াপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মজিবুর রহমানের মেয়ে।
মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আমার মেয়ে ও পরিবারের সঙ্গে কারও কোনও বিরোধ ছিল না। তবে কি কারণে সে আত্মহত্যা করেছে, তা আমি জানি না।’
এলাকাবাসী জানান, দুই বছর ধরে একই গ্রামের পাশের প্রবাসী আলমগীর ও নাজমার মেয়েকে আরবি প্রাইভেট পড়াতেন তাহেরা। নাজমার এক মেয়ের সঙ্গে এক পল্লি বিদ্যুৎকর্মীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাহেরা বিষয়টি জানতো। সে তার ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিষয়টি বলে দেয়। ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের মাকে জানায়। সোমবার (৫ আগস্ট) বিকালে আরবি পড়ানোর জন্য গেলে নাজমা তাকে বকাঝকা করেন। সে বাড়ি ফরে একটি সুসাইড নোট লিখে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ প্রসঙ্গে নাজমা বলেন, ‘আমি হেসে-হেসে তাহেরাকে বলেছি, তুমি ছোট-ছোট ছেলে-মেয়েদের কাছে এসব কি বলেছো। আমার মেয়ে ঈদের সময় বাড়ি এলে তা প্রমাণ হবে। পাশাপাশি তোমারও কঠিন বিচার হবে। পরে সে বাড়িতে চলে যায়। তাহেরা যে ফাঁসি দেবে, সেটা ভাবিনি।’