ফেনী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হালিমুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘ফেনী-নোয়াখালী সড়ক চার লেন প্রকল্প সড়কের প্রশস্ততা হবে ২০ মিটার এবং মাঝখানে দেড় মিটার সড়ক বিভাজক থাকবে। এছাড়াও ফেনী অংশে দুটি সেতু, নয়টি কালভার্ট, দুটি বাস-বে, একটি ফুটওভারব্রিজ ও একটি ইন্টারসেকশন (গোলচত্বর) নির্মাণ করা হবে। সেতু দুটির একটি মাতুভূঞা সেতু, আরেকটি সিলোনিয়া সেতু। এছাড়া ইন্টারসেকশন, ফুটওভারব্রিজ ও দুটি বাস-বে’র একটি নির্মাণ করা হবে দাগনভূঞা বাজার অংশে।
তিনি জানান, প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগে এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট দরপত্র খোলা হয়েছে। দরপত্র মূল্যায়ন করে ঠিকাদার নিয়োগের পর চলতি বছরের অক্টোবরের শেষের দিকে প্রকল্পের কাজ শুরুর কার্যাদেশ দেওয়া হতে পারে। সড়কটি ফোর লেনে উন্নীত হলে যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচিত হবে। বিশেষ করে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলায় যাতায়াতের দূরত্ব অর্ধেক কমে আসবে।
ফেনী সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ সড়কের জন্য ৭৪৭ কোটি টাকার বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের আওতায় ফেনীর মহিপাল থেকে নোয়াখালীর সেবারহাট পূর্ব বাজার পর্যন্ত ফেনী অংশের ১৭ কিলোমিটার এবং সেবারহাট থেকে নোয়াখালীর চৌমুহনী পূর্ব বাজার পর্যন্ত নোয়াখালী অংশের ১২.২৮ কিলোমিটার সড়ক দুই লেন থেকে ফোর লেনে উন্নীত করা হবে। ফেনী অংশের ১৭ কিলোমিটারের জন্য প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।
দাগনভূঞা পৌরসভার মেয়র ওমর ফারুক খান বলেন, ‘ফেনী-নোয়াখালী এই আঞ্চলিক সড়ক জাতীয় মহাসড়কে ও ফোর লেনে উন্নীত হবে এটি আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ফেনী-নোয়াখালী সড়ক ফোর লেনে উন্নীতকরণের জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই ।’