আদালত পুলিশের পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, ২২ অক্টোবর বিকালে এসআই ইকবাল পারভেজ রায়হানকে পুলিশ লাইন থেকে আটক করে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ। পরে এ ঘটনায় নিহত এজহারের ভাই আলমগীর থানায় মামলা দায়ের করলে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
সুব্রত ব্যানার্জি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।’
প্রসঙ্গত, বোনের মোবাইল চুরি করে নিয়ে গেছে এমন অভিযোগ এনে গত ২১ অক্টোবর রাতে এজহার মিয়াকে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে আসেন এসআই রায়হান। বাসায় এনে রাতভর তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় ২২ অক্টোবর ভোরে এজহারকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২২ অক্টোবর রাতে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেন এজহারের ভাই আলমগীর। মামলায় এসআই রায়হন, তার ভাই ইমতিয়াজ আরমান ও ভগ্নিপতি মিজানুর রহমানকে আসামি করা হয়। আসামিদের মধ্যে এসআই রায়হান ও তার ভগ্নিপতি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। ঘটনার পর ২২ অক্টোবর বিকালেই তাদের দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।