এর আগে রবিবার (২৭ অক্টোবর) রাতে মারধরের শিকার হন ট্রেনটির পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। তিনি কুমিল্লায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আহত মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ট্রেনটি রাত ৩টার দিকে ইমামবাড়ি স্টেশনে যাত্রাবিরতিতে ছিল। এ সময় আমি পেছনের বগি থেকে অন্য বগি দেখার জন্য টর্চলাইট জ্বালাই। লাইটের আলো চোখে পড়ায় ক্ষিপ্ত হন স্টেশন এলাকায় দায়িত্বরত কসবা থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এরপর তারা ট্রেনে উঠে আমাকে মারধর করেন। এ সময় আমি সহকারী পুলিশ সুপার (কসবা সার্কেল) মো. আব্দুল করিমকে বিষয়টি জানাই।’
আব্দুল করিম বলেন, ‘ডাকাতির খবরে স্টেশন এলাকায় কসবা থানার একদল পুলিশ দায়িত্ব পালন করছিল। এ সময় তুচ্ছ বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ট্রেনের পরিচালকের বাগবিতণ্ডা হয়। তবে ওই সময় আমি ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে ছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় এসআই আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রধান এবং সহকারী পুলিশ সুপার (কসবা সার্কেল) ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) সদস্য করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’