শুক্রবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর ডিসি হিল এলাকায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সেখানে আয়োজিত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কঠিন চীবরদান উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারীদের প্রাথমিক একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের দলে কেউ কখনও আসতে পারবে না, এটি ঠিক না। আসতে পারবেন, তবে কেউ দুর্নীতি, দলখবাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদেরকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে দেশ পরিচালনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। এটি পৃথিবীর অনেক দেশের জন্য আজ উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপিত হয়। আমাদের দেশেও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আছে। যারা এই রাষ্ট্রটি চায়নি। সাম্প্রদায়িক বিভাজন করলে তাদের সুবিধা হয়। তারা মাঝে-মধ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালায়। তারই অংশ হিসেবে রামুর ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তারই অংশ হিসেবে নাসির নগরের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে ভোলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়াসহ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বক্তব্য রাখেন।