রিজওয়ানের বাড়ি উপজেলা মুন্সীরহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামে। তার বাবার নাম কাজী নুরুল আহাদ।
আলী আজম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি থাকা রিজওয়ানের জ্ঞান ফিরলেও সে খুব ভয়ের মধ্যে আছে।’
ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচও) এবিএম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘রিজওয়ানের হাত ও মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।’
অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে আরও বলেন, ‘‘উদ্ধারকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছিল, ‘সকাল ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় শিক্ষার্থীরা সিঁড়ির নিচে গোঙানির শব্দ শুনতে পায়। কিছু ছাত্র সিঁড়ির নিচে গিয়ে তাদেরই সহপাঠী রিজওয়ানকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় দেখতে পায়।’’
রিজওয়ানের বাবা কাজী নুরুল আহাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সে বাড়ি থেকে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বের হয়েছিল। শ্রেণিকক্ষে বই রেখে সে অন্যত্র প্রাইভেট পড়ে।’ কাজী নুরুল আহাদের ধারণা, প্রতিবেশী একজনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। হয়তো তারাই এ ঘটনা ঘটাতে পারে।
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কুতুব উদ্দীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর থানার একজন অফিসারকে হাসপাতালে তাৎক্ষণিক পাঠানো হয়। স্কুলছাত্রের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’