শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মাইন বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হন। ২০১৭ সালে আট জন, ২০১৮ সালে এক জন এবং ২০১৯ সালে দুই জন নিহত হন। এছাড়া ২০১৭ সালে ছয় জন, ২০১৮ সালে ছয় জন এবং ২০১৯ সালে তিন জন আহত হন।নিহত ও আহত ব্যক্তিরা সবাই রোহিঙ্গা।
এ প্রসঙ্গে বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজারের রিজিয়ন কমান্ডার মো. সাজেদুর রহমান বলেন,‘বিভিন্ন সময় রোহিঙ্গারা অসৎ উদ্দেশে বিশেষ করে ইয়াবা পাঁচারের জন্য সীমান্ত পাড় হয়ে মিয়ানমার যায়। এসময় মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে বিজিপির ব্রিগেডিয়ার পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে, মাইনগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য। তবে এখনো তারা কোনও মতামত দেননি। তারপরও সমস্যা সমাধানে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু রোহিঙ্গারা সীমান্তের ওপারে আহত বা নিহত হয়। তাই বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয় না। ঘটনা সীমান্তের ওপারে হওয়ায় আমাদের কিছু করারও থাকে না।’
তবে সীমান্ত অতিক্রম করতে গিয়ে তিন বছরের মধ্যে বিজিবি বা বিজিপির গুলিতে কেউ আহত বা নিহত হয়নি।