স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোতালেব জমাদার বিকালে তেলীরমোড় এলাকায় কয়েকজন কর্মী নিয়ে গণসংযোগে নামেন। এ সময় ওই এলাকায় বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নূর হোসেন পাটওয়ারী তার কর্মীবাহিনী নিয়ে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতালেব জমাদারের ওপর হামলা চালায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও তার কর্মীরা।
এসময় পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষে মনির (২৫), সোহেল (৩৫), রাসেল (২২), সোহাগসহ (১৯) ১০ জন আহত হয়েছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতালেব জমাদারের ছেলে হৃদয় জমাদার অভিযোগ করেন, গাড়ি নিয়ে তেলীরমোড় এলাকায় গেলে সেখানে বর্তমান চেয়ারম্যান নূর হোসেনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এ সময় নূর হোসেন নিজে আমার বাবাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে তার কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মীও আহত হয়েছেন।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নূর হোসেন পাটোয়ারী বলেন, বিকাল ৩টার দিকে নীলকমলের মধ্যচরে অতর্কিতভাবে সালাউদ্দিন চেয়ারম্যানের ওপর হামলা করে জলিল মাস্টার ও মোতালেব জমাদারের লোকজন। পরে আবার মোতালেব জমাদার তেলীরমোড়ে গিয়ে আমার লোকজনকে গালিগালাজ করেন। তবে আমি কর্মীদের বলেছি- আমাদের মাঠের অবস্থা ভালো, কোনও ঝামেলার দরকার নেই। আমরা চাই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হোক। তবে বিরোধী পক্ষ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ফায়দা নিতে চাইছে।
হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম জহিরুল ইসলাম খান জানান, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থক ও মোতালেব জমাদার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে উপজেলা সদরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।