এদিকে একজন ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা হয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কানাঘুষা চলছে।
বিয়ের অনুষ্ঠানের যাত্রী বাঘমারা উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বী বলেন, ‘শখের বশেই হেলিকপ্টারটি ভাড়া করে আনা হয়েছে। বরের বাড়ি থেকে কনের বাড়ির দূরত্ব অনেক কম। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়েছে। বর তার মা ও ভাইকে নিয়ে কনের বাড়িতে গেছেন। বর হেলিকপ্টারে গেলেও আমরা মাইক্রোবাস আর মোটরসাইকেলে গিয়েছি।
বিয়েতে উকিল ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার।
সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আয়াত উল্লাহ জানান, ‘হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের বিষয়টি আমি শুনেছি। ফেসবুকেও দেখিছি। তার টাকা আছে, যে কারণে স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছে।’
ছাত্রলীগ নেতার হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে নাছির উদ্দিন মির্জা বলেন, ‘আলোচনা-সমালোচনা তো একটু হবেই। আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল হেলিকপ্টারে বিয়ে করতে যাওয়ার। সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।’