গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে অংশ নেন ওই কারখানার দেড় হাজার শ্রমিক। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নারী শ্রমিকদের সবার পরনে ছিল হলুদ শাড়ি আর পুরুষ শ্রমিকদের হলুদ পাঞ্জাবি। গার্মেন্টস কন্যাদের সরব অংশগ্রহণ পুরো অনুষ্ঠানটিকে দিয়েছে আলাদা একটি সৌন্দর্য। নেচে-গেয়ে পুরো অনুষ্ঠান মাতিয়ে রাখেন তারা।
হলুদ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কারখানা শ্রমিক আব্দুর রহিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ ধরনের একটি গায়ে হলুদে অংশ নিতে পারবো কখনও ভাবিনি। আর মালিকের মেয়ের গায়ে হলুদে অংশ নেওয়া! সেটি তো আরও কল্পনার বাইরে ছিল। কিন্তু আমাদের মালিক আমাদের এতটাই ভালোবাসেন, আমাদের অংশ গ্রহণে একমাত্র মেয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান করেছেন। আমরা অনেক মজা করেছি।’
গার্মেন্টসের ছাদে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এস এম আবু তৈয়ব বলেন, ‘এটা প্রচারের জন্য নয়। গার্মেন্টস কারখানার এই খেটে খাওয়া শ্রমিকদের প্রচুর ভূমিকা রয়েছে আমার জন্য, আমার মেয়ের জন্য, পুরো পরিবারের জন্য। এরাইতো রক্ত-ঘাম দিয়ে আমাকে এই অবস্থানে এনেছেন। আমার সন্তানকে একটি মর্যাদার আসন দিয়েছেন। আমি মনে করি, এরা আমার পরিবারের অংশ। তাই মেয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানটি আমি তাদের সঙ্গে করেছি।’
এস এম আবু তৈয়ব নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান।