বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন জানান, আকিব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের খাসখামা গ্রামের নুরুল আবছারের ছেলে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ২০১৯ সালের ৩ জুলাই স্বামীর সঙ্গে ওই নারীর বিচ্ছেদ হয়। এরপর দুই মেয়ে নিয়ে তিনি আলাদা থাকতে শুরু করেন। এ সময় ফেসবুকে ‘তাহসান খান পিজন’ নামের একজনের সঙ্গে পরিচয় হয়। তাহসান নিজেকে এএসপি পরিচয় দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক করেন। একপর্যায়ে তাহসান বিয়ের প্রস্তাব দেন। ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট তারা বিয়ে করেন। নিকাহনামায় নিজের সত্য পরিচয় গোপন করে আকিব মিথ্যা তথ্য দেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, বিয়ের পর ৫ সেপ্টেম্বর ওই নারীর কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা ধার নেয় আকিব। ২৭ অক্টোবর এক লাখ ২৮ হাজার টাকা দিয়ে তিনি আকিবকে মোবাইলফোন কিনে দেন। তিন লাখ টাকা দিয়ে নগরীর আগ্রাবাদে ইয়ামাহার শো-রুম থেকে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেন। বিভিন্ন সময় ডেবিট কার্ড দিয়ে তুলে নেয় প্রায় চার লাখ টাকা। এভাবে আরও বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা তাহসান ওই নারীর কাছ থেকে হাতিয়ে নেন। এরপর বারবার টাকা চাইতে থাকলে তার সন্দেহ হয়। পরে ওই নারী খোঁজ নিয়ে দেখেন তার নাম তাহসান নয় আকিবুল ইসলাম আকিব। তার সব তথ্যই মিথ্যা ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই জনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরে ২৫ ডিসেম্বর আকিব ওই নারীর বাসায় গিয়ে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তাকে হুমকি দেয়।
পরিদর্শক মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এজাহারে ওই নারী ২৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন।’