ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রকিব বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি আলোচনা সভা চলছিল। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি শামছুল হক ভূঁইয়া। এ সময় ওই এলাকা দিয়ে উপজেলা যুবলীগের একটি মিছিল যাচ্ছিলো। তখন মিছিল থেকে কয়েকজন যুবক সভায় হামলা চালায়। তারা মঞ্চের চেয়ার টেবিল ও গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলায় ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।’
এ ঘটনায় সাবেক এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘হঠাৎ একদল অস্ত্রধারী এসে হামলা চালায়। আমি এদের খুব একটা চিনি না। তবে উপজেলা নেতারা বলেছেন, এরা মাদকাসক্ত এবং বর্তমান এমপি মহোদয়ের প্রতিনিধি ও অনুসারী হিসেবে পরিচিত। গত রাতে সভার বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে থাকা ৩টি গাড়ি, ২১টি মোটরসাইকেল ও চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করা হয়।’
বর্তমান এমপি সফিকুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি তো ঢাকায়। তারা (হামলাকারীরা) কারা আমার জানা নেই। কে বা কারা হামলা করেছে আমার এ বিষয়ে ধারণা নেই। আমি কিছুক্ষণ আগেই বিষয়টি জানলাম।’
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। কাউকে আটক করা হয়নি।