বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, পাঁচজন আটক করা হয়েছে। তারা হলো- কৃষ্ণরামপুর গ্রামের এসহাক মিয়ার ছেলে জামায়াত নেতা দেলোয়ার (৪০), আমানউল্যাপুর গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে রনি (২৪),মহেশপুর গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে সিদ্দিক (২২), করিমপুর গ্রামের আলী আকবরের ছেলে মহসিন (২৫) ও মহেশপুর গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে রিয়াজ (২২)।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে,আহত ইউনিয়ন যুবলীগ সদস্য বঙ্গ মুন্সি (৩০) গোবিন্দেরখিল গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সদস্য রাকিব হোসেন (১৮) আমানুল্যাহপুর গ্রামের সফিক উল্যার ছেলে। তাদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি জানান,পরে বঙ্গ মুন্সিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,আমানউল্যাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান হিরণকে শিবিরকর্মীরা আটক করার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তখন ছাত্রলীগ ও যুবলীগকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। তখন ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে।
আমানউল্যাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আরিফুর রহমান মাহমুদ জানান, ছাত্রশিবিরের লোকজনের হামলায় আহত বঙ্গ মুন্সিকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।