নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রণোজিত রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিনি উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের মোক্তারামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সলিমগঞ্জ এ.আর.এম উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী আমীরুল ইসলামের বাবা।
এলাকাবাসী ও স্কুল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ওসি জানান, রবিবার সন্ধ্যায় নিহত খোরশেদ তার ছেলের আসন বিন্যাস দেখতে সলিমগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে আসেন। তখন স্কুল গেটের তোরণের উপরিভাগ ভেঙে তার মাথায় পড়ে চোট লাগলে ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার সময় বিদ্যালয়ের গেট তালাবদ্ধ থাকায় কয়েকজন পরীক্ষার্থী নিজেদের আসন বিন্যাস দেখতে গেটের ওপরে উঠে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। এতেই তোরণের উপরের অংশ ভেঙে নিচে দাঁড়ানো খোরশেদ আলমের মাথায় আঘাত লাগে। এ ঘটনায় রাছেল মিয়া নামের একজন পরীক্ষার্থী আহত হন। রাছেল পাশের নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার গাজীপুরা গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে। রাছেল সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামে তার খালুর বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।