কুমিল্লার বরুড়ায় গাঁজার প্যাকেট পায়ের কাছে ফেলে ব্যবসায়ীকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে পুলিশের দুই এএসআই’র বিরুদ্ধে। বরুড়ার শাকপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত দুই এএসআইকে ক্লোজড করা হয়েছে।
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে শাকপুর নতুন বাজার এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন হয়রানির শিকার ব্যবসায়ী ফরিদ আহম্মেদ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ২০ জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে পুলিশের তিন সদস্য, আবাদ মেম্বার ও স্থানীয় কিছু লোকজন তার মুরগির খামারে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায়। এ সময় খামার কর্মী শিপনকে মাদকের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করে। কিছুক্ষণ পর তারা শিপনকে নিয়ে পাশের বাড়িতে যায়। বিভিন্ন লোকজনের উপস্থিতিতে ওই বাড়ির উঠান থেকে তিন প্যাকেট গাঁজা উদ্ধার করে। সেখান থেকে এক প্যাকেট গাঁজা ফরিদ আহম্মেদের পায়ের কাছে ছুঁড়ে মারে। এ সময় বরুড়া থানার এএসআই ইসমাইল, এএসআই খলিল তাকে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে সিএনজি অটোরিকশাতে উঠিয়ে কিছুদূর গিয়ে গাড়ি থামায়। রাস্তায় আবাদ মেম্বার ফরিদের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করে। এ সময় পুলিশি হয়রানির ভয় দেখিয়ে তিন ধাপে এক লাখ ১৫ হাজার টাকাও নেয় তারা। পরবর্তীতে আরও ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করে। এনিয়ে তিনি পুলিশ সুপার অফিসে অভিযোগ করেন।
বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, অভিযুক্ত এএসআই খলিল ও ইসমাইলকে ক্লোজ করা হয়েছে। এবিষয়টি নিয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার প্রশান্ত পাল স্যার তদন্ত করছেন। সদর দক্ষিণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার প্রশান্ত পাল বলেন, এএসআই খলিল ও ইসমাইলকে ক্লোজ করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।