রবিউল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুটি অনুষ্ঠানে প্রায় দুশতাধিক লোকের সমাগম ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মেয়ের বাবা। এই অনুষ্ঠানে জীবন বিপন্নকারী করোনা ভাইরাস বিস্তারের সম্ভাবনা ছিল। তাই ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধে অভিযান চালিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়েছে।’
এছাড়া সরকারি আদেশ অমান্য করে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় দায়ে কনের বাবাকে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।