এ ব্যাপারে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় বলেন, 'বিভিন্ন তথ্যসূত্রে আমরা জানতে পারি, ওই পাঁচজন সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত। সে জন্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। করোনাভাইরাস পরীক্ষার প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত তাদের সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ্ জানান, ওই পাঁচজনের গলা ও নাক থেকে নমুনা নিয়ে টেস্টটিউবে করে সংরক্ষণাগারে রাখা হয়েছে। এভাবে প্রতিদিনই আমরা নমুনা সংগ্রহ করবো। বিভিন্ন উপজেলা থেকে এভাবে নমুনা সংগ্রহ করে একসঙ্গে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।