রবিবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিদারুল আলম জানান, ওই বাড়িসহ ১৮টি পরিবারকে লকডাউনে রাখা হয়েছে। লাশ উপজেলা দাফন কমিটির মাধ্যমে করোনা শনাক্তদের মতোই দাফন করা হয়েছে।
চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. তামজীদ হোসেন জানান, গতকাল বিকালে ফিরোজা বেগম জ্বর-সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে স্থানীয় উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার নাছির উদ্দিনের চেম্বারে দেখিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পরবর্তিতে রাত সাড়ে ১০টায় তার মৃত্যু হয়।
চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খন্দকার মোস্তাক আহমেদ জানান, ফরিদা বেগমের করোনা উপসর্গ ছিল। তবে, দীর্ঘদিন তিনি ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভেবে রাত ২টায় তার এবং সংস্পর্শে আসা ছেলে ও মেয়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মৃতের সংস্পর্শে আসা উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার নাছির উদ্দিনকে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে, হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে।