শুক্রবার (১ মে) রামগতি উপজেলার নির্বাহী অফিসার আব্দুল মোমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনার পর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় লকডাউন করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা আসলে ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। গত ২৯ এপ্রিল রাতে তার করোনাভাইরাস পজিটিভ আসার আগে তিনি ইউনিয়নের সাড়ে ৩ হাজার জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করেন। ওই ইউনিয়নের ৫০০ মানুষের মাঝেও ত্রাণ বিতরণ করেন। এই সময় তার সংস্পর্শে আসেন ইউনিয়নের মেম্বার, গ্রাম পুলিশসহ কয়েক শত সাধারণ মানুষ। এমনকি ২৯ তারিখ দুপুরে তিনি এবং রামগতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মোমিন একসঙ্গে ত্রাণ বিতরণ করেছেন।
রামগতি উপজেলার নির্বাহী অফিসার আব্দুল মোমিন বলেন, ‘আমি জানতাম না যে প্যানেল চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তার রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসার পর থেকে আমি হোম কোয়ারেন্টিনে আছি। ইউনিয়নের সকল মেম্বার গ্রাম পুলিশ ও সচিবের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আমি নিজেও নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠাবো।’
রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহিম বলেন, ‘প্যানেল চেয়ারম্যানের সংস্পর্শে এসেছেন এমন ২৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হচ্ছে। এরপর রামগতি উপজেলার ইউএনও, এসিল্যান্ড, থানার অফিসার ইনচার্জ ও হাসপাতালের আরএমও সহ ১০ থেকে ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।’
চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাওহীদুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘ইউএনও আব্দুল মোমিনের পরামর্শে চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদ লকডাউন করা হয়েছে। সবার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ লকডাউন থাকবে।’