এ নিয়ে জেলায় চিকিৎসকসহ এখন পর্যন্ত ১৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হলো। এদের মধ্যে সাত জন স্বাস্থ্য বিভাগের। অন্যদের মধ্যে ছাগলনাইয়ার দু'জন, দাগভূঞায়ার পাঁচ জন, সোনাগাজীর একজন ও ফুলগাজীর দু’জন জন রয়েছেন। ১৭ জনের মধ্যে তিন জন সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত ৭ মে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের নুরুল্লাপুর গ্রামে এক ব্যক্তির (৭০) নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য বিভাগ। একইভাবে ফুলগাজী উপজেলার দরবারপুর ইউনিয়নের করোনা আক্রান্ত কিশোরীর সংস্পর্শে আসা আরেক নারীর (৫০) নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতাল পাঠায় স্বাস্থ্য বিভাগ। পরে মঙ্গলবার সেখান থেকে তাদের করোনা পজিটিভ প্রতিবেদন আসে।
সূত্র আরও জানায়, জেলায় এ পর্যন্ত ৮২২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪৯৮ জনের ফলাফল আসে।