সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, 'চাল উদ্ধারের ঘটনায় আটক দুজনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই চাল সরকারি গুদামের লোকজনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হতো, নাকি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পাওয়া যেত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।'
র্যাব সূত্র জানায়, ওই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ছোট কমলদহের আমগাছতলা এলাকায় মো. নুরুদ্দিন নামের এক ব্যক্তির টিনের ঘরে সরকারি গুদামের চাল আছে—এমন সংবাদ পেয়ে বুধবার রাতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গুদামটি থেকে সরকারি সিল মারা ৮-১০টিসহ মোট ৬০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে পরিমাপ করে দেখা যায় ৬০ বস্তায় এক হাজার ৫৮৩ কেজি চাল আছে। পরে এসব চাল মজুত করে রাখার অভিযোগে নুরুজ্জামান ও আলাউদ্দিন নামে দুজনকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুই ব্যক্তি চালগুলো সরকারি গুদামের বলে স্বীকার করেছেন। সরকারি গুদামের বস্তা বদলে খোলা বাজারে বিক্রি করা হতো এসব চাল। পরে সরকারি সিল মারা বস্তাগুলো পুড়িয়ে ফেলা হতো। গ্রেফতার ব্যক্তিরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি থেকে নামানো বিভিন্ন চোরাই পণ্যের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।