সোমবার (৮ জুন) আক্কাছের চাচা মো. জয়নাল আবেদীন বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আক্কাছ তাঁর বৌ নিয়ে এখন বাড়িতেই অবস্থান করেছেন। আক্কাছের আগের স্ত্রী ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তার ছোট ছোট দুইটি সন্তান রয়েছে। এই সব দিক বিবেচনা করে আক্কাছ বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। পারিবারিকভাবে আলোচনা করে গতকাল রবিবার তাদের বিয়ে পড়ানো হয়। তবে আখাউড়া থেকে বিয়েতে কেউ যায়নি। বাড়িতে আসার পর কনের চাচা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুর রশিদ বরের বাড়িতে আসেন। তবে কোনও ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছিল না।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের ধর্মনগর গ্রামের বাসিন্দা আক্কাছ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানার এএসআই হিসেবে কর্মরত। তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাড়তি দায়িত্বের জন্য তাকে কক্সবাজারের উখিয়ায় পাঠানো হয়। উখিয়া ও রামু উপজেলার সীমান্তবর্তী স্থানে তিনি একটি আবাসিক হোটেলে থাকতেন। ওই হোটেলের মালিকের ভাতিজিকে রবিবার তিনি বিয়ে করেন। গাড়িতে করে বৌকে নিয়ে সোমবার রাতে আখাউড়ায় পৌঁছান।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. আক্কাছ জানান, তিনি যতটুকু সম্ভব নিয়ম মেনে বিয়ে করেছেন। উখিয়া থানার ওসিকেও বিষয়টি জানানো হয়। বৌয়ের বাড়ির নিজস্ব গাড়িতে জীবাণুনাশক স্প্রে করে বাড়িতে এসেছি। পথে কোথাও নামেননি। এমনকি গাড়িতে খাওয়াও দিয়ে দেওয়া হয়। বদলির সময়টুকু বাড়িতে থেকেই কর্মস্থলে চলে যাবেন।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার রেইনা বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। তবে বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে আমরা এই ধরনের আচরণ প্রত্যাশা করি না। এর বাইরে আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।