চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক আফতাবুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জাননা, ডা. আরিফের আগে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে তারা জানেন না। কারণ এর আগে তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আর মারা যাওয়ার পর এখনও নমুনা সংগ্রহণ করা হয়েছে কিনা সে বিষয়টিও তার জানা নেই।
ডা. আরিফ হাসান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ৪৯তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। তিনি নগরীর কোতোয়ালি থানার আবেদিন কলোনি এলাকায় থাকতেন। ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখতেন।
আফতাবুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘করোনার উপসর্গ নিয়ে এক সপ্তাহ ধরে ডা. আরিফ একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে গেলে শুক্রবার তাকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটে আনা হয়। সেখানে আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়ার আগেই তিনি মারা যান।’
এর আগে ৪ জুন করোনা আক্রান্ত হয়ে চমেক হাসপাতালের আইসিইউ’তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেরন সাইন সিটি হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুহিদ হাসান মারা যান। ৩ জুন এহসানুল করিম নামে আরও এক চিকিৎসক করোনায় মারা যান। আর ঈদের দিন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা. এ এম জাফর হোসাইন রুমি মারা যান।