এ ঘটনায় মণি শঙ্কর চাকমা নামে থানার আরেক এএসআই আহত হয়েছেন। তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদিকে ঘাতক মামুনকে ধরতে মাছিহাতা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে গ্রামে গ্রামে মাইকিং করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, অস্ত্র, মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মামুন মিয়াকে ধরতে বিকেলে সহকর্মী মণি শঙ্করকে নিয়ে অভিযানে যান আমির হোসেন। চান্দপুর বাজার এলাকায় মামুনকে ধরতে গেলে সে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমির ও মণি শঙ্করের ওপর আক্রমণ করে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আমিরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
কর্তব্যরত চিকিৎসক এ.বি.এম. মুসা চৌধুরী জানান, হাসপাতালে আনার আগেই আমিরের মৃত্যু হয়েছে। তার বুকের দুই পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, ঘাতক মামুনকে ধরতে এলাকায় পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।