তৌহিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সকাল থেকেই মাইকিং কার্যক্রম শুরু হয়। ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে আমরা এখনও কাজ করছি। সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের কর্মচারী এবং কাউন্সিলরদের স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে ১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে লোকজনকে অপসারণ করা হচ্ছে। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে অধিকাংশ ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা থেকে লোকজন সরে গিয়ে তাদের নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজনের বাসায় নিরাপদে আশ্রয় নিচ্ছে।’
জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, নগরীর মতিঝর্ণা, বাটালি হিল, একে খান পাহাড়, ট্যাংকির পাহাড়, আমিন জুট মিলস এলাকা, রউফাবাদ, খুলশী, পাহাড়তলি, ফয়েজ লেক আকবর শাহ এলাকার ঝিল-১,২,৩ নম্বর এলাকা, জিয়ানগর, মধ্যমনগর, মুজিব নগর, শান্তিনগর এলাকা, কৈবল্যধাম বিশ্বকলোনি এলাকা, ফিরোজ শাহ এলাকা, ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট এলাকা, বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সিডিএ লিংক রোড এলাকাসমূহে ভারী বর্ষণের মধ্যে মানুষের জানমালের সুরক্ষায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয় মসজিদগুলো থেকেও মাইকিং এর মাধ্যমে লোকজনকে নিরাপদ অবস্থানে আশ্রয় নিতে আহ্বান জানানো হচ্ছে।