বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এসব আলামত (ডিভাইসগুলো) বুঝে নেন র্যাবের কর্মকর্তারা।
এর আগে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালত রামু থানায় জিডি মূলে সংরক্ষিত এসব মালামাল র্যাবকে হস্তান্তরের এ আদেশ দেন।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুর খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, শিপ্রা ও সিফাতের কম্পিউটার ডিভাইস ও মেমোরিসহ ২৯টি সামগ্রী কক্সবাজারের রামু থানা পুলিশের হেফাজতে আছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রমে এসব কম্পিউটার ডিভাইসহ আলামত কাজে লাগবে।
তাই এইসব জিনিসপত্র র্যাবের কাছে হস্তান্তরের জন্য আদালতে আবেদন করেন র্যাব। প্রসঙ্গত শিপ্রা দেবনাথ জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তার বেশকিছু আপত্তিকর ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত হন শিপ্রা। শিপ্রার অভিযোগ ছিল, রামু থানায় সংরক্ষিত মোবাইল,ল্যাপটপ বা অন্যান্য ডিভাইস থেকেই এসব ছবি ভিডিও বাইরে ছড়ানো হয়েছে।
গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে অস্ত্র ও সরকারী কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগের মামলায় কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে হিমছড়ির নীলিমা রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুইজনই এখন জামিনে মুক্ত।