পিপি হাফেজ আহম্মদ জানান, ১৪ আসামির ৫ জন গ্রেফতার এবং ৪ জন উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। অপর ৫ জন পলাতক। অভিযোগ গঠনের সময় আসামি পক্ষের আইনজীবীরা ৭ আসামিকে অব্যাহতির আবেদন জানালে দায়রা জজ তা নামঞ্জুর করেন।
এই মামলায় এএসআই মাহফুজুর রহমান ও গাড়িচালক জাবেদ আলী ছাড়া অপর আসামিরা হলেন অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, মো. আশিকুর রহমান, গিয়াস উদ্দিন, সালেহ আহম্মদ, আবদুল মোতালেব, কাশেম আলী, শাহীন, মো. শাহিন মিয়া, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মো. বিল্লাল হোসেন, ফরিদুল আলম, মো. জাফর ও মো. রুবেল সরকার।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২০ জুন শহরতলীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপোলে র্যাবের একটি দল ৬ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশের এসআই মাহফুজুর রহমান ও গাড়িচালক জাবেদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় র্যাবের পক্ষ থেকে নায়েক সুবেদার মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন।
২০১৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত সন্তুষ্ট না হয়ে পুনর্তদন্তের জন্য অপর একজনকে দায়িত্ব দেন।
২০১৬ সালের ২২ মে দ্বিতীয় তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্র জমা দিলে আদালত তাতেও সন্তুষ্ট হননি। একপর্যায়ে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্বভার দেওয়া হলে ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেয় সিআইডি।