জহিরুল ইসলামের বন্ধু এরশাদ জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে আমাকে সঙ্গে নিয়ে জহির তার মোটরসাইকেল সার্ভিসিং করানোর জন্য আড়াইওড়া যায়। সেখানে বাইক রাখার পর সাইফুদ্দিন ও আজহারুল নামে দুই ব্যক্তি জহিরকে ডেকে নিয়ে যান। একটু পর তার চিৎকার শুনে কাছে গিয়ে দেখি সে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা সদর হাসপাতাল এবং পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম মনসুর জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে জহিরকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। একটু পরই তিনি মারা যান।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল হক জানান, নিহত যুবকের রানে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা গেছেন। কী কারণে ডেকে নিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।