‘বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি মুছে ফেলতে চেয়েছিল জিয়া-খালেদা-এরশাদ’

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে একটি চক্র তার স্বপ্নকে মুছে ফেলার পাশাপাশি বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে তারা।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও খালেদা জিয়া তাদের শাসনামলে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি মুছে ফেলতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের দেশ-বিদেশে সরকারি চাকরি দিয়েছে। এখন বড় বড় কথা বলছে তারা। 

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় জাতীয় শোক দিবস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ; এই দুটিকে আলাদা করা যায় না। বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের ত্যাগের ফসল আজ আমরা উপভোগ করছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের মুখে হাসি দেখতে চেয়েছিলেন। এ জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় শোক দিবস পালন এবং এই উপলক্ষে এলাকার অসহায় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করার আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এমজি হাক্কানীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওসার ভূঁইয়া জীবন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মো. আজহারুল ইসলাম, রুহুল আমিন ভূঁইয়া বকুল, কসবা পৌরসভার মেয়র মো. এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা সিদ্দিকী প্রমুখ।