চট্টগ্রাম মেডিক্যালে হামলার ঘটনায় আরও এক মামলা

 

 

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রাবাসে হামলার ঘটনায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ১৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর নামে থানায় আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার (৩ নভেম্বর) সকালে মেডিক্যাল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ৫৮তম এমবিবিএস ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমন শিকদার মামলাটি দায়ের করেন। 

ইমন শিকদার ক্যাম্পাসে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিতি।

প্রতিপক্ষের হামলায় মাথার হাড় ভেঙে গেছে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীর

পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, মামলায় ২৯ অক্টোবর রাতে ছাত্রাবাসে ভাঙচুর, মারধর, চুরি ও হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়।

এ নিয়ে গত ২৯ অক্টোবর ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে মাহাদি জে আকিব নামে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। অন্যদিকে আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী এক ছাত্রলীগ নেতা নিজেদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ এনে আরও একটি মামলা করেন। আসামিরা সবাই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের এমবিবিএস ও বিডিএস'র বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী।

চমেকে সংঘর্ষ, নেপথ্যে আধিপত্য নাকি বাণিজ্য?

মামলার এজহারে বলা হয়, আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রাবাসের নিচতলার ডব্লিউ ব্লকের ৫ নম্বর কক্ষে প্রবেশ করে ওইকক্ষে থাকা শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলামকে মারধর করেন। এ সময় তার চিৎকারে মাহিন আহমেদ, জুলকাফল মোহাম্মদ শোয়েবসহ কয়েকজন এগিয়ে এলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। হামলকারীরা মাইনুল ইসলামের ওয়্যারড্রোব থেকে ১০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় হুমকি দেয়- এ ঘটনায় মামলা করলে আসামিরা মাহিন আহমেদ ও জুলকাফল মোহাম্মদ শোয়েবকে প্রাণে মেরে ফেলবে।