নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে দুটি মামলায় এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে চারটি মামলায় ৭৬ জন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মোছলেহ উদ্দিন মিজানের আদালত এই আদেশ দেন।
আসামিরা হলো—চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক ওরফে কানা রাজ্জাক, চরএলাহী ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জায়েদুল হক কচি, চর ফকিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশ্রাফ হোসেন রবেন্স, উপজেলা যুবলীগের সদস্য শাহদাত হোসেন পবেন্স, চরএলাহী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, আবদুল আজিজ, শেখ বেলাল, মো. রিপন, এমরান হোসেন ও মো.শাহীন।
তারা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আজ দুপুরে চারটি মামলায় মোট ৭৬ জন আসামি আত্মসমর্পণ করে। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানায় করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি মামলায় ১৩ জনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। তারা হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহ অন্তবর্তীকালীন জামিনে ছিলেন।