প্রাকৃতিক নৈসর্গে ঘেরা রাঙামাটি এখন পর্যটকে মুখরিত। তিন দিনের ছুটিতে লাখো পর্যটকের ঢল নেমেছে। করোনা মহামারির নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে হেমন্তের শুরুতে পার্বত্য জনপদ পর্যটকের পদচারণার আবারও মুখর হয়ে উঠেছে। সবগুলো হোটেল, মোটেল ও গেস্ট হাউজ পরিপূর্ণ হয়ে গেছে আগেই। পর্যটকদের চাহিদা মেটাতে বাড়তি প্রস্তুতি নিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে পর্যটকদের সব ধরনের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত ট্যুরিস্ট পুলিশ।
ঝুলন্ত সেতু, সুবলং ঝর্ণা, সাজেক ভ্যালি, পলওয়েল পার্ক ও হ্রদ ভ্রমণে পর্যটকদের পছন্দ বেশি। দীর্ঘ লকডাউনের পর প্রকৃতির মাঝে ফিরতে পেরে তারা জানালেন সন্তুষ্টির কথা।
ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা নওরিন খানম ও সুমাইয়া আক্তার বলেন, অন্যান্য পর্যটন স্পটের তুলনায় রাঙামাটি অনেক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। আমরা আরও কয়েকবার এসেছি রাঙামাটি। এখানকার প্রকৃতি, কাপ্তাই হ্রদ এক অন্যরকম অনুভূতি তৈরি করে। অন্যান্য পর্যটন স্পটে মানুষ বেশি থাকায় নিরিবিলি বসে সময় কাটানো যায় না। রাঙামাটি সেই কারণে সময় কাটানোর পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।
রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন কান্তি বড়ুয়া বলেন, দীর্ঘদিন করোনা মহামারির নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবারও পর্যটক এসেছেন রাঙামাটিতে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে দীর্ঘদিনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে। সবগুলো হোটেল মোটেল পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। আমরা পর্যটকদের বরণ করে নিয়েছি।
তার সব প্রস্তুতি ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নিরাপদে হোটেল মোটেলে উঠেছেন পর্যটকরা।