বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পায়ে হেঁটে কারাগারে গেছেন, এখন দাঁড়াতে পারেন না বলে জানিয়েছেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেছেন, ‘আমার যে ভাইয়ের ওপর, যে পরিবারের ওপর অত্যাচার হয়েছে, যে মা তার সন্তান, যে বোন তার স্বামী হারিয়েছে- একটা একটা করে প্রতিটা রক্ত বিন্দুর হিসাব আমরা নেবো। আপনারা আজকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। আমরা একসঙ্গে, একযোগে এই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটি থেকে সরকার পতনের আন্দোলনের ঘোষণা দিচ্ছি। আপনারা আমাদের হাতকে শক্তিশালী করবেন।’
শনিবার (৮ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বটতলী বাজারে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে পাঠানোর দাবিতে করা সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা কেন করা হচ্ছে না? সরকারকে এর জবাব দিতে হবে। সরকার মনে করে, খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশে গেলে সরকারের অনেক কিছু বের হয়ে আসবে। সরকারের অনেক ভয়। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে ভয়। এই কারণে খালেদা জিয়াকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঢেলে দিচ্ছে সরকার।’
তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলবো, জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া তো ক্ষমতায় আছেন। এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটি দেখে যান। আমার কোটি কোটি ভাইয়ের সমর্থন দেখে যান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া তো সেই মাটি, যেখানে মোরগও লড়াই করে বেঁচে থাকে। সেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে ১৪৪ ধারা কাজ করে না। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে ১৪৪ ধারা দিয়ে আটকায়ে রাখতে পারবেন না।’
সমাবেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বতে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।