ট্রলার ডুবে যাওয়া একদিন পর বুধবার উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছেন ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নৌবাহিনীর একটি বিশেষ দল। এদিকে নিখোঁজদের স্বজনরাও উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছেন। কেউ কেউ নদীর তীরে অপেক্ষা করছেন অন্তত লাশ পাওয়ার আশায়।
চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার ইকবাল হোসেন জানান, নদীর স্রোতসহ উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট করে স্থান বলতে না পারায় উদ্ধার কাজে বিলম্ব হচ্ছে।
শাহ আলম নামের এক স্বজনহারা জানান, আমার মেয়ে ও স্ত্রীকে এখনও খুঁজে পাচ্ছি না। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ অন্তত লাশ গুলো যেন দাফন করার সুযোগ পাই।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে চাঁদপুরের হাইমচরের তেলির মোড় থেকে ঈশানবালা চরের উদ্দেশ্যে রওনা করে মেঘনা নদীর মাঝ নদীতে তেলবাহী টেংকারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ৫০জন যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় রবিন পরিবহন নামের ট্রলারটি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯জন নিখোঁজের তালিকা করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশই শিশু।
/এআর/