ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলমের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধারের ২৬ দিনেও উদ্ঘাটন হয়নি হত্যার রহস্য। পুলিশের ধারণা, দায়িত্ব পালনের সময় গভীর রাতে যানবাহনের ধাক্কায় তার প্রাণহানি হতে পারে। তবে সে যানবাহনটি এখনও চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ মার্য) এই বিষয়ে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি জহুরুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত নই, কীভাবে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানে পড়ে ছিলেন। রাস্তা পারাপারের সময় কোনও গাড়ি তাকে চাপা দিয়ে চলে গেছে বলে আমরা ধারণা করছি। ঘটনার পর থেকে আমরা ঘাতককে ধরতে আপ্রাণ চেষ্টা করছি। তবে আলোকস্বল্পতা ও অতিরিক্ত গাড়ির কারণে শনাক্তে বিলম্ব হচ্ছে। ঘটনাস্থলে ও এর আশপাশে কোনও সিসিটিভি নেই। দূরের যেসব সিসিটিভি আছে, আমরা সেগুলোর ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। সেগুলো দেখে আমাদের তদন্ত চলমান আছে।’ খুব দ্রুত এই ঘটনার রহস্য উন্মোচন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে, ১৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজার অদূরে কুমিল্লামুখী লেনের রাস্তা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার কনস্টেবল মোহাম্মদ মঞ্জুর বাদী হয়ে অজ্ঞাত চালকের নামে মামলা করেন।
উল্লেখ্য, এসআই জাহাঙ্গীর আলম শেরপুর সদর উপজেলার চৈতন খিলা ইউনিয়নের মৃত কাজিম উদ্দীনের ছেলে। তার স্ত্রীসহ এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।