‘কুড়িগ্রামে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট স্থাপনে কাজ চলছে’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের আরেকটি শাখা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ভূমি অধিগ্রহণ চলছে। আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।’

শনিবার (২ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের ২৩তম ব্যাচ ও মাদারীপুর শাখার ১২তম ব্যাচ প্রশিক্ষণার্থী নাবিকদের প্রশিক্ষণ সমাপনী মুজিববর্ষ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপমহাদেশের প্রাচীনতম ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটকে মেরিটাইম কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে পরিণত করার অংশ হিসেবে, সিমুলেটর বিল্ডিং নির্মাণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ব্রিজ সিমুলেটর, ইঞ্জিন সিমুলেটর এবং হাই ভোল্টেজ সিমুলেটর স্থাপন করা হয়েছে। এসব সিমুলেটরের মাধ্যমে অফিসার ও রেটিংসদের উন্নতমানের প্রশিক্ষণ প্রদান করে এই খাতে দক্ষ জনবল সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের মাদারীপুর শাখার নতুন অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। জুন মাসে প্রকল্প বুঝে নেওয়া হবে। ফলে সেখানে প্রতি ব্যাচে ৩শ’ করে দুই ব্যাচে বছরে ৬শ’ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হবে।’

খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে আক্রান্ত শিপিং করপোরেশন জাহাজের নাবিকরা মনোবল হারাননি। তারা দৃঢ় মনোবল বজায় রেখে সরকারের সহযোগিতায় নিরাপদ স্থানে সরে যেতে সক্ষম হয়েছেন। পাশাপাশি সরকার দক্ষ কূটনৈতিক তৎপরতায় আক্রান্ত নাবিক ও মারা যাওয়া একজন নাবিকের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ক্যাপ্টেন আতাউর রহমান বক্তৃতা করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সমুদ্র পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এবারের ব্যাচে দুই শাখা মিলে ১২৭ জন নাবিক তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। পরে নাবিকরা জাতীয় পতাকা ধরে দেশের ভাবমূর্তি বজায় রাখার পাশাপাশি আরও উজ্জ্বল করার শপথ গ্রহণ করেন।