নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা চলাকালে জেলা কার্যালয়ের বাইরে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিনের সমর্থক এবং নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয়পক্ষের ইটপাটকেলের আঘাতে এক পথচারী আহত হন।
বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) জেলা শহর মাইজদীতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আবদুল মালেক উকিল সড়কে এই ঘটনা ঘটে।
সংগঠনটির একাধিক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সভাকক্ষে বর্ধিতসভার আয়োজন হয়। সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন প্রধান অতিথি হিসেবে সভায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিমের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।
জেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি অনুমোদনের পর এই প্রথম বর্ধিতসভায় যোগ দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। তিনি আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সদস্য।
নেতাকর্মীরা জানান, কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা প্রবেশের আগ থেকেই সামনে অবস্থান নিয়ে তাদের স্বাগত জানিয়ে স্লোগান দেন যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিনের অনুসারীরা। বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে পাল্টা স্লোগান দেন একরামুল করিম চৌধুরীর অনুসারীরা। এ সময় দু’গ্রুপের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা এবং পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়গ্রুপের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে এক পথচারীর মাথায় আঘাত লাগে। পরে পুলিশ লাঠিপেটা করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা কিছুক্ষণ স্থায়ী হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কোনও পথচারী আহত হওয়ার খবর জানেন না বলে জানান তিনি।