ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বন্ধুর ঝগড়ার জেরে সংঘর্ষ, আহত ৩০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝগড়ার জেরে দুই গোষ্ঠীর লোকদের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

রবিবার (৯ অক্টোবর) রাতে উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের কুন্ডা গ্রামে কয়েক দফায় এই সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

আহতরা হলেন—ওমর আলী (২৮), কাজল (৪৮), জহির মোল্লা (৪৫), কাউসার (৫০), মামুন মোল্লা (৩০), লোকমান মোল্লা (৬০), সোহেল (৩৮), শামসুল হক (৪৭), সালমা (৩৫), ইকবাল (৩০), স্বপন (২২), রিয়াদ (১৭), জালাল (২৮), তাকলিক (৩৫), আহাদ (৩৭), আশাদুল (১৭), আমিন (২০), অম্বর (২৫), নয়ন (২০), জাবেদ (১৮), আরমান (১৮), জসিম (২৬), মনির (১৭), রাসেল (১৭), শুরাফ (৪৫), জসিম (১৮), এমদাদুল হক (৩৫), আশুক (৩৫), হাফেজ ধন মিয়া (৫০) ও চুট্টু মিয়া (৩০)। তাদের মধ্যে ছয় জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা রাতেই চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুন্ডা গ্রামের খানবাড়ীর আবদাল মিয়ার ছেলে রায়হানের সঙ্গে মোল্লাবাড়ীর হোসেন মিয়ার ছেলে জাবেদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। জাবেদের পাশের বাড়ির শামিম নামে এক যুবক ‘রায়হানের চরিত্র ভালো নয়’ বলে তার সঙ্গে চলাচলে নিষেধ করেন। রবিবার সন্ধ্যায় এ নিয়ে জাবেদ ও রায়হানে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে দুই জনের গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাত পর্যন্ত চলে এই সংঘর্ষ। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৩০ জন আহত হয়েছেন। তারা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ছয় জনকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, সংঘর্ষে জড়িত থাকায় ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও মামলি হয়নি।