রাঙামাটিতে চাঁদার টোকেন না পেয়ে সিএনজিচালিত আটোরিকশায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঘণ্টাখানেক শহরের বনরূপা সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেন অটোরিকশা চালকরা।
শুক্রবার (৯ জুন) রাত ৯টার দিকে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের দেপ্পাছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে রাতে বনরূপায় সমাবেশ করে জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন। এ সময় সড়কের দুই পাশে ঢাকাগামী বাস ও বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা আটকে পড়েন।
ঘণ্টাখানেক পরে সমাবেশ থেকে আটোরিকশায় আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ধরতে আগামী ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। একইসঙ্গে আটোরিকশার ক্ষতিপূরণ এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানানো হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানিয়েছেন, রাতে ভাড়া নিয়ে ঘাগড়ায় যাওয়ার পথে দেপ্পাছড়ি এলাকায় আটোরিকশার গতিরোধ করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় চাঁদার টোকেন না থাকায় আটোরিকশায় আগুন দিয়ে চালক বানেশ্বর দাশকে মারধর করে তারা।
বানেশ্বর দাশ বলেন, রাঙামাটি শহর থেকে ঘাগড়ায় যাওয়ার পথে দেপ্পাছড়ি এলাকায় একদল যুবক গাড়ির গতিরোধ করে চাঁদার টোকেন দেখতে চায়। টোকেন না থাকায় গাড়ি থেকে আমাকে নামিয়ে মারধর করে। সঙ্গে থাকা টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে গাড়িতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আমাকে ও গাড়ি উদ্ধার করেছে। তবে ঘটনায় জড়িতদের চিনতে পারিনি।
জেলা সিএনজিচালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর বলেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার, অটোরিকশার ক্ষতিপূরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েনের দাবি
জানাচ্ছি। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচি দেবো।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আরিফুল আমিন বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে অটোরিকশার আগুন নিভিয়ে থানায় নিয়ে আসি। যারা আগুন দিয়েছে তাদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।